আজ, বুধবার | ৮ই কার্তিক, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ | ২৩শে অক্টোবর, ২০১৯ ইং | সকাল ১১:৫৪                                                                          

কৈশরের বন্ধু ‘রত্ন’র দোকানে চায়ের কাপে আড্ডা জমালেন সিআইপি আব্দুল মুক্তাদির

কৈশরের বন্ধু ‘রত্ন’র দোকানে চায়ের কাপে আড্ডা জমালেন সিআইপি আব্দুল মুক্তাদির

জাহিদ রহমান : কৈশরের বন্ধু ‘রত্ন’র দোকানে চায়ের কাপে আড্ডা জমালেন সিআইপি আব্দুল মুক্তাদির।

মাগুরা শহরের কলেজ রোডে ‘রত্ন’র চায়ের দোকান চেনেন না এমন কে আছে? রাজনৈতিক নেতা-কর্মী থেকে শুরু করে মিডিয়া ও সাংস্কৃতিক জগতের মানুষের কাছে প্রাণবন্ত এক আড্ডার জায়গা এই চায়ের দোকান। সকাল থেকে রাত এই চায়ের দোকান তাই সরগরম ও উৎসবমূখর থাকে। অনেকেই এই চায়ের দোকানকে বলেন ‘মাগুরার বিবিসি’। মানে, এখানে এলেই যেনো রাজনীতির ময়দানের নতুন নতুন সব খবরের সন্ধান মেলে।

‘রত্ন’র চায়ের দোকান অনেকটাই কিংবদন্তী সমতূল্য। এই চায়ের দোকানের স্বত্বাধীকারি বাহারুল ইসলাম রত্ন। কত মানুষ এখানে আসেন প্রতিদিন! চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে গল্প করেন। মাগুরা আর দেশ ও দশ নিয়ে কথা বলেন। এসব কিছুরই সাক্ষী বাহারুল ইসলাম রত্ন। তবে গত ১৬ নভেম্বর এই চায়ের দোকান খানিকটা আলোকিত হয় কৈশরবেলার এক বন্ধুর আগমনে, যিনি এখন প্রখ্যাত এক ‘বিজনেস আইকন’।

গাড়ি থামিয়ে আকস্মিক এসে হাজির হন ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল মুক্তাদির। সাথে উপস্থিত থাকেন ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের হেড অফ অ্যাডমিন জাহিদ আলম এবং আমেরিকা প্রবাসী আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বৈজ্ঞানিক ড. সালাহউদ্দিন।

রত্ন’র চায়ের দোকানে তখন ঢাকার জাতীয় দৈনিকের সাংবাদিক হোসেন সিরাজ, আবু বাসার আখন্দ, এড. মোখলেছুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, রাজণৈতিক কর্মী শহিদুল্লাহ শহিদ, রেজোয়ান সায়েদিন লিজুসহ আরো অনেকে সময় পার করছেন চায়ের কাপে। এমন সময় ছাত্রজীবনের বন্ধু রত্ন’র সাথে দেখা করা আর চা পানের ইচ্ছে নিয়েই উপস্থিত হন আব্দুল মুক্তাদির।

অতিতে কখনোই তার সেখানে পায়ের ছায়াটি না পড়লেও ঢাকায় বসে বহুজনের কাছে শুনেছেন রত্ন’র চায়ের দোকানের নানান গল্প।

আকস্মিক নিজের চায়ের দোকানে কৈশরের বন্ধু দেশের বিজনেস আইকন আব্দুল মুক্তাদিরকে কাছে পেয়ে অনেকটাই আত্মহারা হয়ে পড়েন বাহারুল ইসলাম রত্নও।

বছর তিনের আগে মাগুরা সরকারি কলেজের পুর্নমিলনীর সময়ে দুজনের স্কুলে দেখা হয়েছিল। এরপর আর দেখা হয়নি। সে দেখাওটাও ছিল অনেক অনেক দিন পর। তবে এবারের দেখাটা অন্যরকম এক আনন্দের উৎস হয়ে দাঁড়ায়। দুজনে ফিরে যান স্কুল আর কলেজ জীবনের সেই স্বর্ণালি দিনগুলোতে। ফিরে যান কেশবমোডের সেই স্মৃতিময় অধ্যায়-এ।

সত্তুর দশকে কলেজ জীবন শেষ করে আব্দুল মুক্তাদির উচ্চশিক্ষা নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি বিভাগে ভর্তি হন। আর বাহারুল ইসলাম রত্ন মাগুরাতেই থেকে যান। জীবনে বেঁচে থাকার অবলম্বন হিসেবে ছোট্ট একটি দোকানকেই আঁকড়ে থাকেন।

বাহারুল ইসলাম রত্ন বলেন, বন্ধু মিনু’র (আব্দুল মুক্তাদির বন্ধুদের কাছে যে নামে পরিচিত) আকস্মিক আগমনে সত্যিই অন্যরকম এক আনন্দে সিক্ত না হয়ে পারিনি। দেশের খ্যাতনামা একজন ব্যক্তিত্ব বন্ধু আব্দুল মুক্তাদির, যা অবশ্যই আমাদের জন্য গর্বের। মাগুরাবাসীও আজ যার কারণে আলোকিত। বেশ কয়েকবার সিআইপি হিসেবে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। ঔষধ শিল্পের বিকাশে যিনি অনন্য অবদান রেখেছেন। ব্যবসায় জগতের এই নক্ষত্রের কৈশরের এক বন্ধুর দোকানে এসে গল্পগুজব করে চা পান করা অবশ্যই আনন্দদায়ক এক ঘটনা। বন্ধু  আব্দুল মুক্তাদির মিনুর জন্যে রইল অনেক অনেক শুভকামনা।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin.
IT & Technical Support :BiswaJit