আজ, বৃহস্পতিবার | ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ | ২৬শে নভেম্বর, ২০২০ ইং | রাত ৮:৫১

ব্রেকিং নিউজ :
মাগুরার দুরাননগরে যুবকদের শ্রম বিক্রির অর্থে দরিদ্র মানুষের ঘরে ত্রাণ মহামারি করোনা : হেসে উঠুক আমাদের ভালবাসার পৃথিবী মাগুরায় করোনা রোগী: ভয় নয়, আরও দায়িত্বশীল হই চাউলিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ত্রাণ নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে সাহেব আলি ছকাতি মাগুরায় ঢাকা থেকে ফেরা আরো এক যুবক করোনা আক্রান্ত গ্রাম লক ডাউন ঘোষণা মাগুরায় ৫ শতাধিক ইমাম মোয়াজ্জিনের মধ্যে এমপি শিখরের নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা প্রদান মাগুরায় আশুলিয়া থেকে ফেরত যুবক করোনায় আক্রান্ত গ্রাম লকডাউন মাগুরায় ইঞ্জিনিয়ার মিরাজের নেতৃত্বে ১৪শত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ ও স্যানিটাইজার বিতরণ মাগুরাসহ যশোর অঞ্চলে জনসচেতনায় কাজ করে যাচ্ছে সেনা সদস্যরা করোনা প্রতিরোধে মাগুরা সিভিল সার্জনকে জাসদের ৭টি প্রস্তাব
মাগুরার এএসপি ছয়রুদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

মাগুরার এএসপি ছয়রুদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

মাগুরা প্রতিদিন ডটকম : মাগুরার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ছয়রুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে যশোরের একটি আদালত। বৃহস্পতিবার যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিরাজুল ইসলাম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, যশোরের মণিরামপুর থানার গাবরডাঙ্গা গ্রামের মৃত অজিত ঘোষের ছেলে প্রভাষ চন্দ্র ঘোষ ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে পুলিশ অফিসার ছয়রুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই সময় তিনি যশোরের মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। মামলাটি দায়েরের পর আদালত ওই বছরের ৩০ নভেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশন যশোর সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ওয়াজেদ আলী গাজী আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। দুদকের তদন্তে ক্ষমতার অপবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়। চলতি বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালত পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তার ৫ একর জমিতে ইরি ধান চাষাবাদ করেন। এলাকার ৮ জন ব্যক্তি বাদীর রোপনকৃত ইরিধান কেটে নেওয়ার জন্য দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর মণিরামপুর থানার ওসি ছয়রুদ্দিন আহমেদের কাছে শরনাপন্ন হন। বাদীর সঙ্গে বিবাদকারীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে নেহালপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই গাজী আবদুর রহমানকে সাথে নিয়ে মণিরামপুর থানার তত্কালীন ওসি ছয়রুদ্দিন আহমেদ ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০১১ সালের ৪ মে বাদীর ৫ বিঘা জমির ১৫০ মণ ধান কেটে মাড়াই করে থানায় নিয়ে আসেন। যার মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। ধান ও বিচালি থানায় নিয়ে আসামি নিজের জিম্মায় রাখেন। বাদী বার বার মণিরামপুর থানায় গিয়ে ধান ও বিচালি চাইলে তার কাছে ৫০ হাজার টাকার ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে কোন দিন ধানের টাকা দেওয়া হবে না। ধানের দাম চাইতে বার বার থানায় গেলে তাকে পেন্ডিং মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন আসামি। এরপর ২০১১ সালের ৩০ আগস্ট বাদী মণিরামপুর থানায় গিয়ে আসামি ছয়রুদ্দিন আহমেদের কাছে গিয়ে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে অনুরোধ করেন তার জিম্মায় থাকা ধান ফেরত দেওয়ার জন্য।

২০১১ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার দিকে বাদী মণিরামপুর থানায় গিয়ে আসামির কাছে ধান ফেরত চান। কিন্তু দাবি অনুযায়ী ৩০ হাজার টাকা না দিলে ধান ফেরত দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। তখন বাদী  ঘুষের ২০ হাজার টাকা ফেরত চান। আসামি বলেন, সেই টাকা হজম হয়ে গেছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে  জেলে ভরে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। ক্রসফায়ার ও কিলার দিয়ে হত্যা করারও হুমকি দেন আসামি।

জানতে চাইলে মণিরামপুর থানার সাবেক ওসি বর্তমানে মাগুরার সহকারী পুলিশ সুপার ছয়রুদ্দিন আহমেদ বলেন, আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র হাতে পায়নি। বিষয়টি সম্পর্কেও অবহিত নয়।

শেয়ার করুন...




©All rights reserved Magura Protidin.
IT & Technical Support :BiswaJit